• সবুজ কৃষি ও সবুজ আবাসনকে উৎসাহিত করা হবে।
  • পানি, সাবানজাতীয় দ্রব্য ইত্যাদির অপচয় রোধ, রাসায়নিক সারের অধিক ব্যবহার হ্রাস, রিসাইক্লিং, বাঁশ, গাছ নষ্ট করা উৎসাহিত করা হবে। এজন্য পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্যতা বৃদ্ধি কর্মসূচি চালু করা হবে। প্লাস্টিক, ধাতু এবং জৈব বর্জ্যকে সংগ্রহ করে কম্পোস্ট বা বায়োএনার্জিতে রূপান্তর করে পূনর্ব্যবহার করা হবে।
  • যে কোন সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ উৎসাহিত করা হবে যেন সেগুলোর আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং অযথা সম্পদ ক্ষয় না হয়। পোশাক-আশাক, কাগজপত্র, পানি, ঘর-বাড়ি-ভবন, আসবার, যন্ত্রপাতি, পরিবহন যান, জলাভূমি, রাস্তাঘাট, আবাদী জমি সব কিছুরই দায়িত্বশীল ব্যবহার পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিকভাবে সহায়ক হবে।
  • বৃক্ষরোপন ও বনায়ন কর্মসূচি, বন্যপ্রাণী সুরক্ষা এবং জলাধার সংরক্ষণ প্রাধিকার ভিত্তিতে উৎসাহিত করা হবে।
  • রাস্তাগুলোর দু’পাশে বৃক্ষ রোপন করা হবে এবং মৌসুমী ফুলের গাছ লাগানো হবে যা চারদিক মনোরম করে তুলবে এবং পর্যটন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top