- বিদ্যমান মূলধারার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা চলমান রাখা হবে।
- বয়স, লিংগ, পেশা, আয়, ধর্ম, জমির পরিমাণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য নির্ভর একটি শিক্ষা জরিপ পরিচালনা করে ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে।
- নিরক্ষরতামুক্ত ইউনিয়ন গঠন হবে।
- শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান হবে।
- শিক্ষার্থীরা যেন মূল ধারার শিক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে তা নিশ্চিতকল্পে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ হবে।
- সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থানীয় সহায়তার পাশাপাশি সরকারী এবং দেশী-বিদেশী বিভিন্ন উৎস থেকে সহায়তাপ্রাপ্তির অব্যাহত প্রয়াস চালানো হবে।
- প্রয়োজনে গরীব বাবা-মাকে সহায়তা দিয়ে হলেও কোন শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না তা নিশ্চিত করা হবে।
- নারী শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
- প্রচলিত শিক্ষার বাইরেও শিক্ষার্থীরা যেন স্ব স্ব ধর্মীয় শিক্ষায় যথেষ্ঠ জ্ঞান সঞ্চয় করে এবং ধর্মানুরাগী হয়, নীতি-নৈতিকতায় উচ্চ মান-দন্ডে উপনীত হয় এবং উপার্জনমূলক প্রায়োগিক জ্ঞান ও দক্ষতায় পারদর্শী হয়ে উঠে সেজন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
- প্রকাশ ভঙ্গি, যোগাযোগ দক্ষতা, বিতর্ক, বক্তৃতা, সৃজনশীল লেখা, উপস্থাপনা, গান, নৃত্য, বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার, আর্ট, খেলাধুলা ইত্যাদি নানা ধরণের শিক্ষা বহির্ভূত দক্ষতা অর্জনে শিক্ষার্থীরা যেন আগ্রহী ও দক্ষ হয় উঠে সে বিষয়ে উৎসাহ ও প্রণোদনা দেয়া হবে।
- আবশ্যিক পাঠ্য বিষয়ের পাশাপাশি স্থানীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, গুণীজন, কৃষি, সংগঠন, শাসন ও পরিচালনা, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং টেকসই উন্নয়নের মতো স্থানীয় বিষয়াবলীর উপর জ্ঞানার্জনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করা হবে।
- স্বাস্থ্য, কৃষি, হস্তশিল্প, কার্পেন্ট্রি, সেলাই, বৈদ্যুতিক কাজ, সৌর প্যানেল ইনস্টলেশন, মোবাইল ফোন মেরামত, নির্মাণ শিল্প, পর্যটন, নবায়নযোগ্য জ্বালানী, ফ্রীল্যান্সিং, ই-কমার্স, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাকার উপার্জনমূলক ক্ষেত্রে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
- শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষা গ্রহনকালেই উপার্জন শুরু করতে পারে বা উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ সঞ্চয় করে এবং ব্যক্তি ও পরিবার জীবনে অর্থনৈতিক স্বাধীনতার মর্ম উপলব্ধি করে সে বিষয়ে সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
- স্থানীয় শিক্ষায় উত্তরোত্তর উন্নতি লাভের জন্য দেশী-বিদেশী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা গড়ে তোলা হবে।