- ক্ষুদ্রঋণ, ছোট ছোট সমবায়-ভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেল ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হবে।
- ইউনিয়নের-ভিত্তিক কর্মসংস্থান ছাড়াও ইউনিয়নের বাইরে দেশে বা বিদেশে কর্ম সংস্থানের সুযোগ সন্ধান ও প্রাপ্তির জন্য প্রচেষ্টা চালানো হবে।
- পর্যটন শিল্প, হোটেল-রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, সুপার শপ, খেলা-ধুলা, সাংস্কৃতিক ইভেন্ট, কেরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতা, অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠির অনুষ্ঠানাদি, পুজা-পার্বন, বিভিন্ন ধরণের মেলা ও প্রদর্শনী ইত্যাদি আয়োজন করে দর্শনার্থী বৃদ্ধি ও পর্যটন শিল্প ও ইকো-ট্যুরিজম বিকাশ করা হবে। অতিথিরা যেন এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য অনুভব করতে পারেন যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দর্শন, নৌ-বিহার, পিকনিক, গ্রামীণ বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ, জৈব খামার, কুটির শিল্প পরিদর্শন ইত্যাদি এবং এসবের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখেন সেদিকে দৃষ্টি দেয়া হবে।
- নারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তা, নারী নেতৃত্ব এবং নারীর আর্থিক সাক্ষরতা সৃষ্টি করা হবে।
- স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য ক্রয়ে স্থানীয় অধিবাসীগণ যেন সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেন সে বিষয়ে গণজাগরণ তৈরি করা করা হবে।
- স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য (কৃষি, কারুশিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানী, সাহিত্য-সংস্কৃতি, রন্ধন শিল্প এবং অন্যান্য) প্রচারের জন্য স্থানীয় বাজার এবং উদ্ভাবনী, কার্যকর এবং ব্যয় সাশ্রয়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।