• সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইউনিয়ন জুড়ে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই এক্সেস সুবিধা সৃষ্টি করা হবে।
  • ইউটিউব চ্যানেল, অনলাইন নিউজ চ্যানেল, ওয়েবসাইট, ফেসবুক একাউন্ট খোলা হবে। এগুলো ইউনিয়নের গণমাধ্যম হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। স্থানীয় গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে যাতে সকল প্রকাশনা, কনটেন্ট, প্রচার, নীতি-নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ, শালীনতা, ধর্মীয় সামারেখা ইত্যাদি মেনে পরিবেশিত হয়।
  • সম্ভাব্য কনটেন্ট: স্থানীয় সংবাদ এবং আপডেট, সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী: ঐতিহ্যবাহী উৎসব, সংগীত, নৃত্য, স্থানীয় কারুশিল্প এবং গ্রামের গল্প তুলে ধরা হবে। স্থানীয় কারুশিল্প, রান্না বা ভাষা পাঠের টিউটোরিয়ালও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ডকুমেন্টারি এবং সাক্ষাত্কার: গ্রামবাসী, সম্প্রদায়ের নেতা, উদ্যোক্তা এবং শিল্পীদের জীবন নিয়ে মিনি-ডকুমেন্টারি তৈরি করা হবে। স্থানীয় মৌখিক ইতিহাস এবং দৃষ্টিভঙ্গি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত্কার ধারণ ও প্রচার করা হবে। শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন: বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, কৃষি সর্বোত্তম অনুশীলন, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং উদ্যোক্তা সম্পর্কিত সামগ্রী তৈরি করা হবে। স্থানীয় বিশেষজ্ঞগণ শিক্ষামূলক ভিডিওর মাধ্যমে তাদের জ্ঞান বিতরণ করবেন। লাইভ প্রশ্নোত্তর সেশন, পোল এবং ইন্টারেক্টিভ আলোচনার আয়োজন করা হবে যেখানে অধিবাসীগণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন, ধারণা প্রস্তাব করতে পারেন এবং তাদের মতামত শেয়ার করতে পারবেন।
  • স্মার্ট ফোন, স্মার্ট টিভি, ইন্টারনেট ডিভাইস ইত্যাদি যেন সহজলভ্য হয় ও কিস্তিতে ক্রয় করা যায় তার ব্যবস্থা করা হবে। পুরোণো বা স্বল্প ব্যবহৃত এ ধরনের ডিভাইস বিনামূল্যে সংগ্রহের প্রচেষ্টাও গ্রহন করা হবে।
  • সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাবলিক টিভি স্থাপন করা হবে যাতে জনগণ সহজেই এসব কনটেন্ট দেখতে পারেন।
  • শিক্ষার্থী, যুবক, মধ্য ও প্রাপ্ত বয়স্ক সকলের জন্য ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি চালু করা হবে।
  • স্থানীয় মার্কেটপ্লেস বা গ্লোবাল সাইটগুলির (আমাজন, দারাজ, ই-বে) মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম-এর মাধ্যমে কীভাবে পণ্য বিক্রি করা হয় সে সম্পর্কে উদ্যোক্তা এবং ছোট ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
  • ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক থেকে আয়, বিজ্ঞাপন প্রচার, স্পন্সরশীপ, ক্রাউডফান্ডিং থেকে আয় সৃষ্টির প্রয়াস নেয়া হবে।
Scroll to Top