পরিবার অনুযায়ী ইউনিয়নের মোট চাষযোগ্য ও পতিত জমি এবং উৎপাদিত ফসলের পরিমাণ নিরূপন করে ডাটাবেইজ তৈরি করা হবে।

টেকসই চাষ কৌশল যেমন যান্ত্রিক কৃষি, আধূনিক কৃষি, প্রাকৃতিক কৃষি, জৈব কৃষি এবং দক্ষ সেচ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে।

বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধি, যৌথ দর কষাকষির ক্ষমতা উন্নত করা এবং উন্নত বীজ, সরঞ্জাম, কারিগরি সক্ষমতা এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টিকল্পে স্থানীয় কৃষি সমবায় স্থাপন করা হবে।

ক্ষুদ্র কৃষকদের বীজ, সার এবং সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ঋণ পেতে সহায়তা করার জন্য সম্প্রদায় ভিত্তিক মাইক্রো-ফিনান্স মডেল বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষক ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উচ্চতর আয় নিশ্চিত করার জন্য মূল্য সংযোজিত স্থানীয় শিল্প (প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ইত্যাদি) প্রতিষ্ঠা করা হবে।

স্থানীয় কৃষি গবেষনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে যাতে কৃষকদের অভিজ্ঞতা, নুতন প্রযুক্তির ফলাফল, বিভিন্ন কৃষি পদ্ধতির উৎকর্ষতা লিপিবদ্ধ, বিশ্লেষন প্রমাণ-ভিত্তিক করা যায় যা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হবে যাতে কৃষকগণের জ্ঞান ও দক্ষতা, উদ্ভাবনী অনুশীলন এবং প্রযুক্তি গ্রহণের উৎসাহ বৃদ্ধি পায়।

স্থানীয়ভাবে সকল ধরণের খাদ্য ও প্রয়োজনীয় শস্য উৎপাদনে মনোযোগ দেয়া হবে যাতে যথাসম্ভব ইউনিয়নের বাইরে থেকে আমদানী ছাড়াই ইউনিয়নবাসীর চাহিদা পূরণ করা যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top